সিনোপসিস (১৭): কম্যূনিটিতে ২য় ধারা ও ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা ! টরন্টোতে বাঙ্গালী কম্যূনিটির সোস্যাল সার্ভিসে এক যুগান্তকারি সাফল্য ও তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে বিসিএস প্রায় এক যুগের মত। বিসিএস’র প্যারালাল আরেকটি সোস্যাল সার্ভিসেস এজেন্সী গড়ে উঠার অনেক প্রচেষ্টা অনেক সময়ই হয়েছে, উদ্যোগ ভাল কিন্তু ডেডিকেশন ও ডিটারমিনেশনের অভাবে তা আলোর মুখ দেখে নাই।
সুতরাং কম্যূনিটির ডিমান্ড পুরো করনে বিসিএসের হাতকে শক্তিশালি করাই মুলতঃ কম্যূনিটির সকলেরই দায়িত্ব এবং এটা সকলেই হয়তো স্বীকার করবেন। এখন আমাদের প্রয়োজন অন্যদিকে মনোনিবেশ করা- বিসিএস এর মতই কম্যূনিটিতে সাংস্কৃতিক আন্দোলন নিয়ে একটি শক্তিশালী প্লাটফরম গড়ে উঠা খুবই জরুরী-যার কাজ হবে শুধূই সাংস্কৃতিক তৎপরতা। কমুনিটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন হয়েছে ঠিকই কিন্তু সকল সাংস্কৃতিক কর্ম তৎপরতাকে মন্থন করে খাটি বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে মুলধারার গোল চত্তরে ঢিল দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়ার দায়িত্ব নিতে হবে একটি সংগঠনকে। বিগত ২/৩ বছর থেকে আমরা সেই সম্ভাবনা দেখেছি একটি কম্যূনিটি সংগঠনের মধ্যে। এখন এর পরিপূর্ন রূপ দেখতে চায় কম্যূনিটি । তবে লক্ষ্য থাকতে হবে অটুট। সাংস্কৃতিক তৎপরতা এবং সাংস্কৃতিক সার্ভিসে সম্ভাবনাময় কোন সংগঠন ডেডিকেশন ও ডিটারমিনেশন নিয়ে এগিয়ে আসলেই সকলের সমর্থন পাবে এটা নিশ্চিত। তবে সকল সমাজেই ছাগলের তৃতীয় ছানার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এরা না পারে ধরতে, না পারে করতে। এদের জন্ম হয় ১ম ও ২য় ছানার কর্মে বাধা প্রদানের উদ্দেশ্যে। এরা না হয় পুষ্ট, না হয় তুষ্ট ; শুধুই অন্যের ঘাড়ে চড়ে পরগাছার মতো বেচে থাকার চেষ্টা করে। এরা একদিন ব্যর্থ হয়ে আশ্রয় নেয় অন্য জাতির ছায়ায় ।