সম্পাদকীয়.
সম্পাদকীয়ঃ শোকাবহ আগষ্ট / রামাদান
আমরা যারা স্বদেশের ভাষা ও কালচার হৃদয়ে নিয়ে প্রবাসে বসবাস করছি তারা কমবেশি সকলেই এই দিনটিকে ভুলে থাকার কথা নয়। কারণ এই তারিখে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অবসান ঘটেছিল। বিশ্বের বুকে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল বাঙালি জাতি। অভু্যদয় ঘটেছিল বাঙলাদেশ নামের একটি নতুন ভূখণ্ড বিশ্বের মানচিত্রে। মুসলমান হয়েও মুসলমান জাতির উপর পাক-সেনাদের নির্মম নির্যাতন হত্যা লুট ধর্ষণ যেমন আমাদের ভ্রাতৃত্বকে করেছিল কলুষিত তেমনি তাবৎ বিশ্বের বুকে অন্যান্য জাতির কাছে মুসলিম নামটির এক কালো অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছিল। এ লজ্জ্বা ছিল সকল মুসলিম নামধারী জাতির। আজ দীর্ঘ চলি্লশ বৎসর অতিক্রানত্দ হওয়ার পরও বাঙলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিসত্দানের নানা ষড়যন্ত্র রাষ্ট্রীয় ভাবে এবং গোপনীয় ভাবে প্রকাশ হয়েছে সরকারি গোয়েন্দাদের তথ্যসুত্রে এবং সাংবাদিকদের অনুসন্ধান মূলক রিপের্াটে। সুতরাং এই বিজয় দিবস বার বার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের মহান স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার সতর্কতামূলক সচেতনতা। তাই এই "বিশেষ দিনটি" স্বদেশে এবং বিদেশে যথাসম্ভব আড়ম্বরের সাথে পালন করা উচিত
মানুষ
বিশ্বজুড়ে চলছে সীমাহীন ঘটনার অপ্রতিরোধ্য যাত্রা। শুধু মাত্র মানুষ জাতিই ৯৯% ঘটনা ঘটানোর জন্য দায়ী। পৃথিবীতে কত প্রকার প্রাণী রয়েছে এর সঠিক হিসেব আজো আমরা জানি না। তবে আমাদের মুসলিম সমাজে একটা কথা প্রচলিত আছে “ পৃথিবীর বুকে ১৮ হাজার মখলুকাত” এই ১৮ হাজার প্রকার প্রাণী যদি থেকেই থাকে তবে এই প্রাণী গুলো পৃথিবীর জন্য প্রতিনিয়ত কোন ঘটনার সৃষ্টি করে না, যা মানুষ জাতি সৃষ্টি করে। মানুষ এতসব ঘটনা কিংবা কাহিনী সৃষ্টি করে কেবল মাত্র তার জীবনটাকে চালিয়ে নেবার জন্য। উন্নয়নের নামে সে তাবত পৃথিবীকে একটা কারখানায় পরিণত করতেও পিছপা হবে না। বাস্তবতা ও জীবন অভিজ্ঞতায় দেখা যায় শুধু আহার আর বিহার তার চাহিদা নয়। তার চাহিদা, লোভ, সখ, জীবন বিলাসিতা সবকিছুই যেন সীমাহীন দিগন্তে বিস্তৃত। সপ্ত আসমানে যদি কোন আকর্ষণীয় মোহনীয় নরক থেকে থাকে সেটা ও সে গিলে খেতে প্রস্তুত। যদিও সে মুখে বলে থাকে “ভাই দুনিয়ার জিন্দেগী বড়ই অস্থায়ী” । মানুষের এহেন ন্যাকামী চরিত্র এই পৃথিবীকে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে। এজন্য দায়ী হতে হবে এই মানুষ জাতিকেই। সুতরাং বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা মানুষসৃষ্ট ঘটনার বিক্ষিপ্ত নিক্ষিপ্ত খবর কতই রাখবেন ? আর কতই শুনবেন ? প্রতিকারই বা কি করবেন? কাকে করবেন? অতএব যতদিন বেচে থাকবেন ততদিন নিরপরাধ মানুষকে আর নিরীহ প্রাণীকে ভালবেসে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রমাণ রাখুন আপনি একজন হৃদয়বান মানুষ।
----------------------------------------------------------------------------
শোকাবহ আগষ্ট /খোশ আমদেদ মাহে রামাদান
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বাংলাদেশের স্থপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেনাবাহিনীর দুস্কৃতিকারীদের হাতে মৃত্যু বরণ করেন। শেখ হাসিনা ওয়াজেদ এবং শেখ রেহানা ব্যতীত পরিবারের সকলেই এই নির্মম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ৩২ নং ধানমণ্ডির সেই বাসাটি সেদিন রক্তের বন্যায় হয়েছিল প্লাবিত। স্বদেশের দুধে-কলায় পোষা, হিংসুক, ও পিশাচী মনোভাবের কিছু সেনা কর্মকর্তারা এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে উল্লাস করেছে। এই হত্যাকাণ্ড শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটায়নি, ঘটিয়েছে আরও অনেক কিছু। ইনডেমনিটি বিল পাশের মাধ্যমে সেনাসমর্থিত প্রশাসনিক গ্রুপটি জাতির জন্য যে কলঙ্কময় অধ্যায়ের সূচনা করে তা দুনিয়ার সকল মানবতাবাদী মানুষ ও জাতির কাছে লজ্জাস্কর।এই হত্যাকান্ড একটি দেশ ও জাতির ললাটে চিরকালীন কলঙ্কেরই মসীলিপ্ত সীলমোহর। এ দাগ কিছুতেই মুছা যাবেনা। এই দিনটি ঘুরে ফিরে এলেই আমাদেরকে এবং আমাদের বাঙালি জাতিকে করে তোলে শোকাকুল। আমরা সকলেই তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
এই আগষ্ট মাস আমাদেরকে নিয়ে যায় আরও কিছু মহাপ্রাণ ব্যক্তিদের স্মরনে। যাদের কর্ম সম্পাদনা, যাদের ধ্যান-ধারণা, দেশপ্রেম মানবপ্রেম, এই দেশ এই জাতির জন্য সর্বদাই ছিল নিবেদিত। শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য সংস্কৃতি যাদের চিন্তায় ও হাতে গড়ে উঠেছিল তৃণমুল পর্যায় পযর্ন্ত। এই আগষ্ট মাসের ৭ তারিখে ১৯৪১ (বাংলা ছিল ২২ শে শ্রাবণ) বাঙলা ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি ও গীতিকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা গিয়েছিলেন। স্বাধীনচেতা, মানব দরদী ও দুই বাংলার গানের বুলবুল সবার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই আগষ্ট মাসের ২৯ তারিখ (১৯৭৬) মৃত্যু বরণ করেন। দুই বাংলার বিখ্যাত কবি শামসুর রহমান, যার মননে মেধায় শুধুই জুড়ে রয়েছিল বাংলার মানুষ, বাংলার মাটি, তিনিও মারা যান এই আগষ্ট মাসের ১৭ তারিখ (২০০৬)। আমরা সকলেই এসব মহাপ্রাণদের আত্মার মুক্তি ও শান্তি কামনা করি মনে প্রাণে।
এই আগষ্ট মাসে এবারে এসেছে পবিত্র “রামাদান” যা আমাদের সমাজে পবিত্র রোজা মাস হিসেবে চিহ্নিত ও প্রতিপালিত। এই পুরো মাসটি মুসলমানদের কাছে অতিপুণ্যময় ও ধৈর্য্ ধারণের মাস। এমাসেই পবিত্র ধর্মগ্রণ্থ আল-কোরআন নাযিল হয়েছিল। শুধু উপবাস থেকে রোজার পুর্ণতা হয় না, ঐ সাথে নিজেদের ক্রোধে সংযমতা, ভাষা ব্যবহারে বিনয়ী হওয়া, প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা না বলা, অন্য মানুষের দোষত্রুটি দেখা বা অন্যের কাছে না বলা ইত্যাদি ও রোজার পরিপুর্ণতার জন্য অতীব জরুরি। পৃথিবীতে কোটি কোটি মুসলমান এই মাসটিকে শান্তি ধৈর্য ও পুণ্য হাসিলের মাস হিসেবে পালন করেন। আমরা প্রবাসে থেকেও নানা প্রতিকুলতার মধ্যে এই মাসটিতে যাতে করে শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় মনযোগী হতে পারি সেই আন্তরিক কামনাই করি।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
শুভ যাত্রা (July 1'2010)
আজকের যুগের নানাবিধ প্রযুক্তি বা টেকনোলজি জীবনকে যেমন করেছে সহজ তেমনি কেড়ে নিয়েছে সময় আর আবেগ। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের খবর জানা যায় তড়িৎ গতিতে। ঘাস-ফড়িঙ্গের ডানার মত ক্ষুদ্র ধাতব কুচিতে কিংবা গলিত রসায়নের রঙিন ফিতায় বন্দী করা যায় মুহুর্তের সংঘটিত স্থির কিংবা চলতি চিত্র। গুরুগম্ভীর কন্ঠ থেকে সুরু করে আলোর তরঙ্গমালার নিরব শব্দটি ও আজ মানুষের নখদর্পনে। অপ্রতিহত গতিতে চঞ্চলার বক্ষ ভেদ করে ছুটে চলেছে বিদ্যুতায়িত শব্দ আর চিত্রের কণাগুলো। তারপর হুমড়ি খেয়ে লাইন বেধে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির স্মৃতিকোষে জানান দিয়ে হাজির হয় কম্পিউটারের আলোকজ্জোল কাuচের পর্দায়। অবিশ্বাস্য হলেও উহাই বাস্তব। বইয়ের পাতা কিংবা কোন চিত্রকেও অবিকল ভাবে যেমন পাঠানো যায় দূর দেশে তেমনি কয়েক মুহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার কায়িক কলেবর দেখা সম্ভব চোখের সামনে। মিডিয়া জগতের এই বিশাল অগ্রগতিতে মানুষ আজ বিস্ময়াভিভূত। এই প্রযুক্তি আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে তা জানি না, কিন্তু মনের খোরাক মেটাতে, মনের কেৌতুহল নিবৃত্ত করতে এর জুড়ি নেই। দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে বসেও আমরা আজ উপভোগ করছি নিজ দেশের হালচাল আর মানব সংস্কৃতির সকল কারুকার্যময় দিক। ক্যানাডা বিডি নিউজ
এই টরন্টোর আকাশবাহী প্রযুক্তির গর্ভে জন্ম নিয়ে বাঙলা ও বাঙালির সংস্কৃতি চর্চায় নিজেকে ব্যাপ্ত ও ব্যস্ত রাখার সদিচ্ছা পোষণ করে। কোন প্রকার প্রতিযোগিতা ছাড়াই মুক্ত মনে ও যুক্তির জয়গানে বিডি নিউজ চলবে মন্থর গতিতে। নিজ ভাষা ধর্ম এবং জাতীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি ক্যানাডার মালটিকালচারের সকল মানবীয় ও গণতান্ত্রিক আদর্শগুলোকে বক্ষে ধারণ করে চলতে চায় বিডি নিউজ। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে যথাসম্ভব সঠিক পথ দেখাবার এবং ব্যস্ত জীবন নির্বাহী মানুষদের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে উপকার করাই বিডি নিউজের একটি গভীরতম উদ্দেশ্য। সকল পাঠক দর্শক ও শুভাকাঙ্খীদের কাছে আমাদের অনুরোধ রইলো বন্ধুত্বপুর্ণ সহযোগিতা দেবার। আপনাদের তথ্যমুলক লেখালিখি, বিনোদন মুলক উপদেশাবলী, কমিউনিটির জন্য বিবেক সম্পন্ন যুক্তি কিংবা বাস্তবতার আলোকে যে কোন দর্শন আমাদেরকে করতে পারে উদ্বুদ্ধ ও সচেতন। আমরা সেই প্রত্যাশা নিয়েই সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করেছি যাত্রা।
Move over Ottawa. Calgary is now the best place to live in Canada, according to an annual list by MoneySense magazine.The Alberta city bumped Canada’s capital, which had earned first place three times previously. The list ranked 200 cities based on variables such as housing prices, crime, household income, weather, employment, amenities, culture and more. 








